Posted by: Harisur on: September 30, 2008
বিবাহর ক্ষেত্রে অমুসলিমগন দুইভাগে বিভক্ত। আহলে কিতাব এবং আহলে কিতাব নয়। আসমানী কিতাব অনুসারীগন ‘আহলে কিতাব’ হিসেবে গন্য। যেমন ইয়াহুদী ও খ্রিস্টান। কুরআন শরীফে এই দুই সম্প্রদায়কে ‘আহলে কিতাব’ নামে আখ্যায়িত করা হয়েছে।(সূরা আন’আম,৬/১৫৬)
মহান আল্লাহ্ মুসলিম পুরুষদেরকে কেবল ‘আহলে কিতাব’ নারী বিবাহ করার অনুমতি প্রদান করেছেন। কুরআন মজীদে ইরশাদ হয়েছেঃ
وَالْمُحْصَنَاتُ مِنَ الَّذِينَ أُوتُواْ الْكِتَابَ مِن قَبْلِكُمْ
এবং তোমাদের পূর্বে যাদেরকে কিতাব দেওয়া হয়েছে তাদের সচ্চরিত্রা নারী তোমাদের জন্য বৈধ করা হল। (সূরা মায়িদা,৫/৫)
কোন মুসলিম নারীর কোন ‘আহলে কিতাব’ পুরুষের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া নম্পূর্ণ হারাম। মুসলমানদের জন্য আহলে কিতাব নারী বিবাহ করা বৈধ হলেও স্থান-কাল-পাত্রভেদে তা অপছন্দনীয় বলে ফকীহ্গন মত প্রকাশ করেছেন।
যারা আহলে কিতাব নয় তারা মুশরিক এবং কাফির তা যে ধর্মেরই অনুসারী হক। এই পর্যায়ে হিন্দু, বৌদ্ধ, জৈন, নাস্তিক, অগ্নিউপাসক সকলেই এক পর্যায়ভুক্ত। কাদিয়ানীরা মুশরিক না হলেও মুসলিম উম্মাহ্র ঐকমত্য অনুযায়ী কাফির। তাদের সাথে মুসলিম নারী-পুরুষের বৈবাহিক সম্পর্ক স্থাপন আল্লাহ্ তা’আলা চিরতরে, সর্বতোভাবে ও সম্পূর্ণভাবে নিসিদ্ধ করেছেন। কুরআন মজীদে ইরশাদ হয়েছেঃ
وَلاَ تَنكِحُواْ الْمُشْرِكَاتِ حَتَّى يُؤْمِنَّ وَلأَمَةٌ مُّؤْمِنَةٌ خَيْرٌ مِّن
مُّشْرِكَةٍ وَلَوْ أَعْجَبَتْكُمْ وَلاَ تُنكِحُواْ الْمُشِرِكِينَ حَتَّى يُؤْمِنُواْ وَلَعَبْدٌ
مُّؤْمِنٌ خَيْرٌ مِّن مُّشْرِكٍ وَلَوْ أَعْجَبَكُمْ
মুশরিক নারীরা ঈমান না আনা পর্যন্ত তোমরা তাদেরকে বিবাহ করবে না। মুশরিক নারী তোমাদের মুগদ্ধ করলেও
নিশ্চয়ই মু’মিন ক্রীতদাসী তার চেয়ে উত্তম। মুশরিক পুরুষরা ঈমান না আনা পর্যন্ত তাদের সাথে তোমরা(তোমাদের নারীদের) বিবাহ দিবে না। মুশরিক পুরুষ তোমাদের মুগ্ধ করলেও, নিশ্চয় মু’মিন ক্রীতদাস তার চেয়ে উত্তম। (সূরা বাকারা,২/২২১)
তথ্যসুত্রঃ
দৈনন্দিন জীবনে ইসলাম(পৃষ্ঠা-৩৯৯)
ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ
Posted by: Harisur on: September 27, 2008
জাতীয় সংগীতঃ
আমার সোনার বাংলা,
আমি তোমায় ভালবাসি।
চিরদিন তোমার আকাশ,
তোমার বাতাস
আমার প্রাণে বাজায় বাঁশি।
ও মা,
ফাগুনে তোর আমের বনে
ঘ্রানে পাগল করে–
মরি হায়, হায় রে
ও মা,
অঘ্রানে তোর ভরা খেতে,
আমি কি দেখেছি মধুর হাসি।।
কি শোভা কি ছায়া গো,
কি স্নেহ কি মায়া গো–
কি আঁচল বিছায়েছ
বটের মূলে,
নদীর কূলে কূলে।
মা, তোর মুখের বাণী
আমার কানে লাগে
সুধার মতো–
মরি হায়, হায় রে
মা, তোর বদনখানি মলিন হলে
আমি নয়ন জলে ভাসি।।
Anthem:
My Bengal of Gold,
I love you.
Forever your skies,
Your air set my heart in tune
As if it were a flute.
In spring, O mother mine,
The fragrance from your mango groves
Makes me wild with joy,
Ah, what a thrill!
In autumn, O mother mine,
In the full blossomed paddy fields
I have seen spread all over sweet smiles.
Ah, what a beauty, what shades,
What an affection, and what a tenderness!
What a quilt have you spread
At the feet of banyan trees
And along the banks of rivers!
O mother mine, words from your lips
Are like nectar to my ears.
Ah, what a thrill!
If sadness, O mother mine,
Casts a gloom on your face,
My eyes are filled with tears!
Source: Wikipedia
Posted by: Harisur on: September 26, 2008
Masud Rana is a fictional character created in 1966 by writer Qazi Anwar Hussain, who featured him in almost 400 novels. Hussain created the adult spy-thriller series Masud Rana, at first modeled after James Bond, but expanded widely. So far 387 books have been published in this series which has gained a lot of popularity in Bangladesh. Written from the 1960s and continuing to present day, books are published almost every month by Sheba Prokashoni, one of the most popular publishing house of Bangladesh.
Masud Rana, a spy, a former major of the Bangladesh Army continues missions all over the world. His boss is Major General (retired) Rahat Khan of the fictitious Bangladesh Counter Intelligence (BCI). According to the series, Masud Rana established the Rana Agency, a front cover for BCI in the form of a private investigation agency.
Each Rana paperback opens with these lines:
“An untameable daredevil spy of Bangladesh Counter Intelligence. On secret missions he travels the globe. His life is queer. His movements are mysterious and strange. His heart, a beautiful mix of gentle and tough. Single. He attracts, but refuses to get snared. Wherever he encounters injustice, oppression, and wrong, he fights back. Every step he takes is shadowed by danger, fear, and the risk of death.
Come, let us acquaint ourselves with this daring, always hip young man. In a flash, he will lift us out of the monotony of a mundane life to an awesome world of our dreams. You are invited. Thank you.”
Source: Wikipedia
Posted by: Harisur on: September 26, 2008
হয়তো দেখিবে চেয়ে সুদর্শ্ন উড়িতেছে সন্ধ্যার বাতাসে;
হয়তো শুনিবে এক লক্ষ্মীপেঁচা ডাকিতেছে শিমুলের ডালে;
হয়তো খইয়ের ধান ছড়াতেছে শিশু এক উঠানের ঘাসে;
রূপসার ঘোলা জলে হয়তো কিশোর এক সাদা ছেঁড়া পালে
ডিঙ্গা বায়; রাঙ্গা মেঘ সাঁতরায়ে অন্ধকারে আসিতেছে নীড়ে
দেখিবে ধবল বক; আমারেই পাবে তুমি ইহাদের ভিড়ে-
…………………..– জীবনানন্দ দাশ –
Posted by: Harisur on: September 26, 2008
1. OpenAny Site [Like www.google.com, www.yahoo.com, etc]
2. After Loading The Page Copy This Script
3. Paste On Address Bar [In Single Line]
4. Press -Enter- button. What Happening ?
Script:
javascript:R=0; x1=.1; y1=.05; x2=.25; y2=.24; x3=1.6; y3=.24;x4=300; y4=200; x5=300; y5=200; DI=document.images; DIL=DI.length;function A(){for(i=0; i<DIL ; i++){DIS=DI[ i ].style;DIS.position=’absolute’; DIS.left=Math.sin(R*x1+i*x2+x3)*x4+x5;DIS.top=Math.cos(R*y1+i*y2+y3)*y4+y5}R++; }setInterval(‘A()’,5); void(0);
Posted by: Harisur on: September 25, 2008
সকল ফিকহ্ শাস্ত্রবিদের মতে মদ্যপায়ীকে যথার্থ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক শাস্তি প্রদান করা ওয়াজিব। ইমাম আযম আবূ হানীফা (র.) এবং ইমাম মালিক (র.)-এর মতে মদ্যপায়ীর শাস্তি আশি বেত্রাঘাত। সাহাবীগণের যুগে আশি বেত্রাঘাতের উপর ঐকমত্য স্থাপিত হয়।[ক]
শাস্তির শর্ত
নেশাগ্রস্ত ব্যক্তির উপর শরী’আতের -হদ্- প্রয়োগের ক্ষেত্রে নিন্মোক্ত শর্তাবলী পাওয়া জরুরীঃ
১. জ্ঞান সম্পন্ন হওয়া। পাগলের উপর হদ্ জারী করা যাবে না।
২. বয়ঃপ্রাপ্ত হওয়া। অপ্রাপ্ত বয়স্কের প্রতি শাস্তি প্রয়োগ করা হবে না।
৩. মুসলমান হওয়া। কাফির ব্যক্তির উপর হদ্ প্রযোজ্য নয়।
৪. ইচ্ছাপূর্বক সেবনকারী হওয়া। ভুলবশত সেবন করলে বা জোরপুর্বক সেবন করানো হলে তার উপর হদ্ প্রযোজ্য হবে না।
৫. মুযতার বা প্রাণ বাঁচানোর তাগিদে মদ পান করলে তার উপর হদ্ প্রযোজ্য হবে না।[খ]
ক. তিরমিযী, সূত্রঃ মিশকাত, পৃ.১৬৫
খ. তিরমিযী, সূত্রঃ মিশকাত, পৃ.১৬৪
তথ্যসুত্রঃ
দৈনন্দিন জীবনে ইসলাম (পৃষ্ঠা-৬৩৬)
ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ
Posted by: Harisur on: September 25, 2008
সন্ধ্যা হয়– চারিদিকে শান্ত নীরবতা;
খড় মুখে নিয়ে এক শালিখ যেতেছে উরে চুপে;
গোরুর গাড়িটি যায় মেঠো পথ বেয়ে ধীরে ধীরে;
আঙ্গিনা ভরিয়া আছে সোনালী খড়ের ঘন স্তূপে;
পৃথিবীর সব ঘুঘু ডাকিতেছে হিজলের বনে;
পৃথিবীর সব রূপ লেগে আছে ঘাসে;
পৃথিবীর সব প্রেম আমাদের দু’জনার মনে;
আকাশ ছড়ায়ে আছে শান্তি হয়ে আকাশে আকাশে।
…………………..– জীবনানন্দ দাশ –
Posted by: Harisur on: September 25, 2008
অনেক কমলা রঙের রোদ ছিল,
অনেক কাকাতুয়া পায়রা ছিল,
মেহগনির ছায়াঘন পল্লব ছিল অনেক;
অনেক কমলা রঙের রোদ ছিল,
অনেক কমলা রঙের রোদ;
আর তুমি ছিলে;
তোমার মুখের রূপ কত শত শতাব্দী আমি দেখি না,
খুজি না।
…………………..– জীবনানন্দ দাশ –
Posted by: Harisur on: September 24, 2008
শিশুরাই আগামী দিনের কর্ণধার। কাজেই আদর্শ সমাজ ও উন্নত পরিবেশ গঠন করতে হলে শিশুরা কেমন করে উন্নত চরিত্র এবং অনুপম আদর্শের অধিকারী হতে পারে সে বিষয়ের প্রতি মনোযোগী হওয়া আবশ্যক। কেননা শিশুদেরকে আদর্শবান করে গড়ে তুলতে না পারলে আদর্শ সমাজ বিনির্মান সম্ভব নয়। যদি কারো আখলাক-চরিত্র নষ্ট হয়ে যায় তবে এর কারনে সে নিজেই শুধু ক্ষতিগ্রস্ত হয় না বরং এ ক্ষতির প্রভাব ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ, রাষ্ট্র ইত্যাদি সকল কিছু পরিব্যপ্ত হয়ে উপোরক্ত ক্ষেত্রসমূহে বিরাট অকল্যান ডেকে আনে। কাজেই শিশুর চরিত্র গঠনের ব্যাপারে দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের সদা সচেতন থাকা আবশ্যক। কুরআন ও হাদীসে শিশুদের চরিত্র গঠনের ব্যাপারে জোর তাগিদ রয়েছে। চরিত্র গঠন বলতে তাদের মধ্যে আখ্লাকে যমীমা তথা দুষ্ট চরিত্রের প্রতি ঘৃণার মনোভাব সৃষ্টি করা এবং আখ্লাকে হামীদা তথা উন্নত চরিত্র মাধুরীর দ্বারা তাদেরকে বিভূষিত করা বুঝায়। যেমনঃ অহংকার, মিথ্যা, ধোঁকাবাজী, গীবত, চোগলখোরী, মূর্খতা, উদাসীনতা, অঙ্গীকার ভঙ্গ করা, কারো প্রতি হিংসা-বিদ্বেষ পোষন করা ইত্যাদির প্রতি তাদের ঘৃণা সৃষ্টি করা। সাথে সাথে তাদের মাঝে আল্লাহ্, রাসূল, ফিরিশতা, আসমানী কিতাব, কুরআন, হাদীস ইত্যাদির প্রতি অগাধ বিশ্বাস সৃষ্টি করা এবং সততা, আমানতদারী, অঙ্গীকার পূরণ করা, দানশীলতা, পিতামাতার এবং আত্মীয়-স্বজনের সাথে সদাচার ইত্যাদি মহৎ গুণাবলী শিক্ষা দেওয়া।
রাসূলুল্লাহ্ (সা.) ইরশাদ করেনঃ
–কারো সন্তান জন্মগ্রহণ করলে সে যেন তার জন্য একটি সুন্দর নাম রাখে এবং উত্তমরুপে তাকে আদব-কায়দা, শিষ্টাচার শিক্ষা দেয়।–[ক]
এছাড়াও আরো বহু হাদীসে এ বিষয়ের বিস্তারিত বিবরণ বিদ্যমান রয়েছে।
ক. বুখারী ও মুসলিম, সূত্রঃ মিশকাত, পৃ.৪৫০
তথ্যসুত্রঃ
দৈনন্দিন জীবনে ইসলাম (পৃষ্ঠা-১৫৮)
ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ
Posted by: Harisur on: September 19, 2008
-কোরআন শরীফ-এর বাংলায় অনুবাদ এইখানে দেওয়া হলো। ইহা একটি ফ্রি সফটওয়ার। এইখানে সম্পূর্ন -কোরআন শরীফ-টি তিনটি ভাষায় পড়তে পারবেন — আরবী, বাংলা এবং ইংরেজী –।
Download : -কোরআন শরীফ-
স্বত্যাধিকারঃ www.islamdharma.net
আরও দুইটা -কোরআন শরীফ- সফটওয়ারের লিংক এখানে দেওয়া হলো-
Download : QuranViewer v1.6, QuranTrans.
Recent Comments